যশোরের সুজলপুরে ইরিয়ান (২২) হত্যাকান্ডের পর ২৫ দিন পার হলেও একজন আসামিকেও আটক করেননি বলে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন পরিবারে সদস্যরা।
খুনে অভিযুক্তদের একটি অংশ আটক এড়িয়ে উল্টো নিহতের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি ১৫ জুন রাতে আসামি গোলাপের বাবা মকবুল হোসেন মদ্যপ অবস্থায় ইরিয়ানদের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ করে মামলা তুলে নিতে চাপ দিয়ে এসেছে। ওই বাড়িতে হানা দিলে নিহতের পরিবারের পক্ষে বার বার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিমানকে জানানো হলেও তিনি তালবাহানা করে ঘটনাস্থলে যাননি।
বাদী পরিবারের অভিযোগ, এসআই বিমানের যোগসাজসেই আসামিরা জামিন নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। তারা এসআই বিমানের আচরণে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে মামলটি অন্য কোনো ইউনিটকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।যদিও আসামি পক্ষের দাবি, ঘটনাস্থলে ছিলোনা এমন অনেককে আসামি করা হয়েছে। এখন জামিন পাওয়ায় বোমাবাজির বানোয়াট অভিযোগ তুলছে।
গত ২১ মে আধিপত্য দ্বন্দ্ব ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সুজলপুরের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র পিটিয়ে হত্যা করে ইরিয়ানকে। এরপর ২২ মে রাত ১২ টা ৫ মিনিটে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ইরিয়ানের বাবা। আসামি করা হয় সুজলপুরের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে শরিফ (৩৫), মকবুলের ছেলে গোলাপ (২৫), সাহেব আলীর ছেলে সাগর, ইফাজ্জেল হোসেন কুটি গাজীর ছেলে জাকারিয়া (২৫), আনোয়ার হোসেন (৪০), জাহাঙ্গীর ভান্ডারির ছেলে নাহিদ (২২), বিষে গাজীর ছেলে লাবু (২৮), কিনুর ছেলে জহুরুল (৩৫), আকবর হুজুরের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫), কামারুল ইসলামের ছেলে শিহাব (২০), শরিফের ছেলে আল আমিন (২২), আকবরের ছেলে আল আমিন ২ (২২), ভেকুটিয়ার শহিদুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম ও রওশন আলীর ছেলে তৌহিদুল ইসলামকে। এছাড়া মামলায় আরো অনেককে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়া ও আসামিদের নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে বিরোধিতা করায় ইরিয়ানের সাথে বিরোধ বাধে আসামিদের। এরই জের হিসেবে এই খুন বলে নিহতের বাবা খোরশেদ গাজী দাবি করেন। মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিমান কাউকে আটক না করায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করে ওই এলাকায়। এসআই বিমান আসামিদের সাথে সখ্যতা করে চলেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা খোরশেদ আলী গাজী দ্রুত চিহ্নিত খুনীদের আটকের দাবিতে ৩১ মে পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করেন। পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ননা করেন। এছাড়া থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন খোরশেদ গাজী। এসময় পুলিশ সুপার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বিষয়টি দেখতে বলেন।
কিন্তু এরপরও আসামি আটক হয়নি। উল্টো উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। আর জামিন নিয়ে ফিরেছে অভিযুক্তরা। এলাকায় ফিরে আসামিদের একটি অংশ বাদী পরিবারকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে এবং ওই বাড়িতে বোমাবাজি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় জিডিও হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কার্যকরি ব্যবস্থা নেননি তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিমান।
নিহতের বাবা খোরশেদ আলী গাজী, ভাই ইমরান ও নসুয়া জানিয়েছেন, হত্যার হুমকিতে আছেন তারা। তাদের হত্যা করবে বলে বেড়াচ্ছে, তাদের বাড়িতে বোমা মেরে গেছে। সামান্যর জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন বাড়ির লোকজন। সব ব্যাপারে এসআই বিমানকে জানালেও তিনি অভিযানে আসেন না। গত ১৫ জুন রাতে আসামি গোলাপের বাবা মকবুল মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়িতে হানা দিয়ে গালিগালাজ করে গেছে। মামলা তুলে নিতে বলে গেছে। এসব নিয়ে ওই রাতে এসআই বিমানকে জানানো হলেও তিনি যাননি। তালবাহানা করে ফোন রেখে দেন। এসআই বিমানের সাথে আসামিদের সখ্যতা রয়েছে বলেই দুই সপ্তাহ আটক এড়িয়ে চলতে পেরেছে। আর জামিন নিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে।
নিহতের বাবা খোরশেদ গাজী জানান, পুলিশ আসামি আটক করেনি, উল্টো পুলিশ তার সাথে অশালীন আচরণ করেছে, আসামির মত আচরণ করেছে। তিনি আসামিদের দ্রুত আটক ও ফাঁসি দাবি করেছেন।
এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন জানিয়েছেন আসামিরা জামিনে আছে। জামিন দেয়া আদালতের ব্যাপার। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ আসামি আটকে তৎপর ছিল। কিন্তু আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। এরপর জামিনে এসে আসামিদের বাড়িতে বোমাবাজি করেছে বলে অভিযোগে থানায় জিডি দিয়েছে ওই পরিবারটি। এ ব্যাপরটি নিয়েও পুলিশ যত্নসহকারে কাজ করছে। অপরাধীদের ছাড় নেই। দ্রুতই মামলা তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দেয়া হবে।
নিহতের বাবা খোরশেদ আলী গাজী, ভাই ইমরান ও নসুয়া জানিয়েছেন, হত্যার হুমকিতে আছেন তারা। তাদের হত্যা করবে বলে বেড়াচ্ছে, তাদের বাড়িতে বোমা মেরে গেছে। সামান্যর জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন বাড়ির লোকজন। সব ব্যাপারে এসআই বিমানকে জানালেও তিনি অভিযানে আসেন না। গত ১৫ জুন রাতে আসামি গোলাপের বাবা মকবুল মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়িতে হানা দিয়ে গালিগালাজ করে গেছে। মামলা তুলে নিতে বলে গেছে। এসব নিয়ে ওই রাতে এসআই বিমানকে জানানো হলেও তিনি যাননি। তালবাহানা করে ফোন রেখে দেন। এসআই বিমানের সাথে আসামিদের সখ্যতা রয়েছে বলেই দুই সপ্তাহ আটক এড়িয়ে চলতে পেরেছে। আর জামিন নিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে।
নিহতের বাবা খোরশেদ গাজী জানান, পুলিশ আসামি আটক করেনি, উল্টো পুলিশ তার সাথে অশালীন আচরণ করেছে, আসামির মত আচরণ করেছে। তিনি আসামিদের দ্রুত আটক ও ফাঁসি দাবি করেছেন।
এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন জানিয়েছেন আসামিরা জামিনে আছে। জামিন দেয়া আদালতের ব্যাপার। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ আসামি আটকে তৎপর ছিল। কিন্তু আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। এরপর জামিনে এসে আসামিদের বাড়িতে বোমাবাজি করেছে বলে অভিযোগে থানায় জিডি দিয়েছে ওই পরিবারটি। এ ব্যাপরটি নিয়েও পুলিশ যত্নসহকারে কাজ করছে। অপরাধীদের ছাড় নেই। দ্রুতই মামলা তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দেয়া হবে।

No comments:
Post a Comment