হাজারো উদ্যোগে স্বরণীয় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী - দেশে-বিদেশে চলমান নানা কর্মসূচি - Jessore News

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, March 17, 2021

হাজারো উদ্যোগে স্বরণীয় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী - দেশে-বিদেশে চলমান নানা কর্মসূচি


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে হাজারো কর্মসূচি ঘোষিত হলেও ভয়াবহ করোনা বহু কর্মকান্ড ম্লাণ করে দিয়েছে। তবে তার মাঝেও এ উৎসবে দেশের প্রায় ৭০ হাজার গৃহহীন পরিবার পেয়েছে নিজেদের পাকা বাড়ি। আর এখনো দেশে বিদেশে বহু উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু যেন একে অপরের পরিপূরক। বাংলাদেশকে জানতে হলে জানতে হবে বঙ্গবন্ধুকে। ৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকে জানার দ্বার রুদ্ধ করে দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছিল, সাথে ছিল ইতিহাস বিকৃত করারও অপচেষ্টা। কিন্তুু চাইলে ইতিহাসকে যেমন মুছে ফেলা যায় না, তেমনি মোছা যায়নি বাঙালি জাতির জন্য বঙ্গবন্ধুর অবদান। বঙ্গবন্ধুর বিশালতার কাছে এই জানা বা জানানোর বিষয়টি ক্ষুদ্রতা মাত্র। তবু বঙ্গবন্ধুকে জানার বড় পরিসরে নেয়া হয়েছিল নানা উদ্যোগ। উপলক্ষ্য জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী হলেও আসলে তা ছিলো জাতির শেকড়ে কাছে ফেরা। মুজিব বর্ষে বছর ব্যাপী নানা আয়োজনে মুখরিত হবে গোটা বাংলাদেশ। এক লক্ষ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের প্রতিটি ধূলিকণায় উচ্চারিত হবে মুজিব বন্দনা, জয়বাংলা স্লোগান আর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ।  পরিকল্পনা আর প্রস্তুতিতে কোন ঘাটতি ছিলো না কিন্তু বাদ সেধেছিলো বৈশ্বিক মহামারি কোভিড -১৯ ভাইরাসের প্রকোপ।
করোনা সংক্রমণে টালমাটাল ছিলো গোটা বিশ্ব। সেই ভয়াবহতার হুমকি প্রতিরোধ আর জনস্বার্থে বৃহৎ আয়োজনকে কমিয়ে আনা হয়েছিলো সীমিত পরিসরে। এই অপূর্ণতা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ছিলো ‘পেয়ে হারানোর’ মতো। সীমিত পরিসরে হলেও মানুষের অন্তরে দাগ কেটেছে মুজিব বর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না এই ঘোষণা। যেটি পূর্ণতা পেয়েছিল ২৩ জানুয়ারি। একযোগে সারা দেশে প্রায় ৭০ হাজার গৃহহীনের মাঝে জমির দলিলসহ পাকা বাড়ি হস্তান্তর। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, কোটি গাছের চারা রোপন, ৪৯১ জেলায় আতশবাজি উৎসব, ম্যারাথনও ছিলো আলোচনায়। মুজিব বর্ষে বেশীর ভাগ আয়োজন ছিলো অনলাইন ভিত্তিক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নামে https://mujib100.gov.bd/index_bn.html আর্কাইভ তৈরী করা হয়, যেখানে ভার্চুয়ালি সংরক্ষিত আছে বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনপঞ্জি।
২০১৮ সালের জুলাইয়ে সরকার জাতির জনকের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০-২০২১ সালকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করে। ২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় মুজিব বর্ষ উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপনে দুটি কমিটি গঠন করে সরকার। এর মধ্যে একটি ছিলো ১০২ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’। যে কমিটির সভাপতি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যদিকে জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে সভাপতি ও কবি কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে প্রধান সমন্বয়কারী করে গঠন করা হয়েছিল ৬১ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’। মুজিব বর্ষ স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপনে হাতে নেয়া হয়েছিল ২৯৮টি কর্মসূচি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অর্জন ও আত্মত্যাগের গৌরবগাঁথা নতুন প্রজন্ম এবং সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে জন্মশতবার্ষিকীতে ছিলো মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানমালা।
গত বছরের ১০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক ক্ষণ গণনার, যার মাধ্যমে ১৭ মার্চ মুজিববর্ষে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
করাচির কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডন থেকে দিল্লি হয়ে দেশে ফিরেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন বিকেলে তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ থেকে বঙ্গবন্ধু নামার পর পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ঐতিহাসিক স্থানে সেই সময়টিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার রূপকারের জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা শুরু হয়। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এক উৎসবমুখর পরিবেশে লাখো মানুষ বরণ করে নিয়েছিল তাদের প্রিয় নেতাকে। এরপর তাঁকে মিছিল করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তেজগাঁও বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রতীকী আবহ তৈরি করা হয়। আলেকবর্তিকার মাধ্যমে বিমান থেকে বঙ্গবন্ধুর নামার প্রতীকী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। দেওয়া হয় গার্ড অব অনার। ঐদিন কেন্দ্রীয়ভাবে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে লোগো উন্মোচন, ঘড়ি চালুর মধ্য দিয়ে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সময়ে সারাদেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের ২৮টি জায়গা, বিভাগীয় শহর, ৫৩ জেলা, দুই উপজেলা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীতে মোট ৮৩টি স্থানে একসঙ্গে ক্ষণগণনার ঘড়ি চালু করা হয়।
২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে বছরব্যাপি যে সব পরিকল্পনা ছিলো তার মধ্যে অন্যতম জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস উদযাপন। টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় শিশু দিবস নিয়ে নানা আয়োজন। বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিলো মূল আয়োজন, যাতে ছিলো জন্মশতবার্ষিকীর বিভিন্ন স্যুভেনির, স্মারক বক্তৃতা, দেশী-বিদেশী শিল্পীদের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজন করা হবে আনন্দ শোভাযাত্রা। রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সড়কদ্বীপকে সাজানো হয় রঙিন সাজে। ১৭ মার্চ অনুষ্ঠানের মূল পর্বে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র্রপ্রধান, বঙ্গবন্ধুর সমসাময়িক সময়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকবেন।
২২-২৩ মার্চ মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশন, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন, ২৬ মার্চ মুজিববর্ষের আবহে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস পালন, ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুজিবনগর দিবস উদযাপন, ২৩ মে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জুলিওকুরি পদক প্রাপ্তি দিবস উদযাপন, ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালন, ২৩ জুন রোজ গার্ডেন বা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন, ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিন উদযাপন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন, ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ক আলোচনা, ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও অন্যান্য স্থানে জেল হত্যা দিবস পালন, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমিসহ সারা দেশের সকল বধ্যভূমিতে ও অন্যান্য স্থানে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন, ১৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, জাতীয় প্যারেড স্কয়ার ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে বিজয় দিবস উদযাপন, ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন, ২৩ ফেব্রুয়ারি  সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদানের বার্ষিকী উদযাপন।
৭ মার্চ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপনে সাত দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন এবং আর্মি স্টেডিয়ামে জয় বাংলা কনসার্টের আয়োজন, ১৭ মার্চ  সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং টুঙ্গীপাড়ায় জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠান।
আন্তর্জাতিক পরিসরে আয়োজনের মধ্যে ছিলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের ৭৭টি দূতাবাসে ২৬০টিরও বেশি অনুষ্ঠানমালা। যার মধ্যে ছিলো ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তর, জেনেভায় জাতিসংঘ দপ্তরের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায়, ব্রাসেলসে অবস্থিত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদর দপ্তর ও প্যারিসে অবস্থিত ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিদেশে আরো পাঁচটি বঙ্গবন্ধু চেয়ার এবং ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে বঙ্গবন্ধু সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউজ অব লর্ডসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আয়োজন এবং ওই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এ রকম গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো। লন্ডনে মাদাম তুসো জাদুঘর এবং জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাস্কর্য স্থাপন এবং ব্রিটিশ মিউজিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জীবন ও আদর্শভিত্তিক চিত্রকর্ম ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মুজিব ফেলোশিপ অ্যান্ড ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি চালু এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের পিস-কিপিং সাফল্যকে উদযাপন করা।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনারের অডিও, ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী। ভারতের ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম ও শিলংয়ে নাগরিক মিলনমেলার আয়োজন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের সব দেশে ১০০টি করে গাছের চারা রোপণ করা। যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্টজনদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার এবং মে মাসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউটে ‘শেখ মুজিব ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করা।
মুজিববর্ষে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার ইভেন্ট আয়োজন করতে চেয়েছিলো বাস্তবায়ন কমিটি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছিলো বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন।
বছরব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন এবং লাখ লাখ হাতে মানব প্রতিকৃতি তৈরির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতিকৃতি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণের কর্মসূচি।
যাত্রা ও লোকনাট্য, জেলা পর্যায়ে ৬৩টি নৃত্যানুষ্ঠান আয়োজনসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছিলো নানা আয়োজন। আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদের মধ্যে ছিলো ইংরেজিতে ছবি, স্কেচ ও আলোকচিত্র নিয়ে কফি টেবিল বই শেখ মুজিব লাইফ অ্যান্ড টাইমস এবং বায়োগ্রাফি অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রকাশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের চীন সফর নিয়ে অনুবাদ গ্রন্থ প্রকাশ, বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণ ইংরেজি ছাড়াও হিন্দি, উর্দু, ফরাসি, জার্মান, চাইনিজ, আরবি, ফার্সি, স্প্যানিশ, রুশ, ইতালিয়ান, কোরিয়ান ও জাপানি ভাষায় অনুবাদ করা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীভিত্তিক অ্যালবাম, জীবন ও কর্মভিত্তিক ১০০টি প্রকাশনা। ছিলো বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, মেলার আয়োজন করা হবে। এছাড়া সুবিধাজনক সময়ে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার বা সেন্ট্রাল পার্ক ও লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে কনসার্ট আয়োজন করা হবে। ইউনেস্কোয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।
যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিনই স্বমহিমায় ভাস্বর থাকবেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। করোনা মহামারির কারণে অনুষ্ঠানমালা বেশীরভাগই বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তবে মুজিব বর্ষের কর্তিত সেই সব অনুষ্ঠানমালা পর্যায়ক্রমে হবে বলে আশাবাদি দেশের আপামর জনতা। মুজিব বর্ষে সবার কণ্ঠে ধ্বণিত হয়েছে  “তোমার অমর প্রেরণায়; জেগে উঠি বারবার”।

আরও পড়ুন

আরো খবর দেখুন

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages