আগামীকাল শনিবার শোকাবহ কটকা ট্রাজেডি দিবস। এদিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের নয়জন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর দু’শিক্ষার্থী মোট ১১ জন সুন্দরবনের কটকা সফরে যাওয়ার পর গোসল করতে নেমে সাগরে ডুমে মারা গিয়েছিলেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মারা যাওয়া নয় শিক্ষার্থীরা হলেন, আরনাজ রিফাত রূপা, মো. মাহমুদুর রহমান, মাকসুমুল আজিজ মোস্তাজি, আব্দুল্লাহ হেল বাকি, কাজী মুয়িদ বিন ওয়ালী, কাওসির আহমেদ খান, মুনাদিল রায়হান বিন মাহবুব, মো. আশরাফুজ্জামান এবং মো. তৌহিদুল ইনাম। এ ঘটনায় ডুবে মারা যাওয়া বুয়েটের দু’শিক্ষার্থী হলেন, সাইমুল ও শাকিল।
কটকা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শনিবার সকাল ১০টায় মারা যাওয়া শিক্ষার্থীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কালোব্যাজ ধারণ, ১০টা ১৫ মিনিটে শোকর্যালি ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের কটকা স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ, ১০টা ৪৫ মিটিনে স্মরণসভা ও মোয়া মাহফিল, জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও এতিমদের সাথে দুপুরের খাবার খাওয়া, সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিটিনে প্রদীপ প্রজ্বালন এবং সন্ধ্যা ৭টায় স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ওয়েবিনারে শোকসভা ও স্মৃতিচারণ।
উপরিউক্ত কর্মসূচি সফলভাবে পালনের লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধানকে সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালককে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির মোট সদস্য ছয়জন।
এদিকে, দিবসটিকে ঘিরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

No comments:
Post a Comment