শহরের বকচরে যুবতীকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ করে চাঁদাদাবি, আটক ২ - Jessore News

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, November 24, 2020

শহরের বকচরে যুবতীকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ করে চাঁদাদাবি, আটক ২

ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে যশোর শহরের বকচরে একদল চিহ্নিত দূবৃর্ত্তরা এক যুবক ও যুবতীকে জোরপূর্বক ধরে অবৈধভাবে আটক করে তাদের আত্মীয়র কাছে বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ টাকা দাবির ঘটনা ঘটেছে। 
এসময় ওই যুবতীকে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণও করা হয়। একই সাথে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের ভয়ভীতি দেয়া হয়েছে। এসব অভিযোগে যশোর কোতয়ালি থানায় পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে। ওই যুবতি নয়জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করেছেন। অপরটি যুবকের বড় ভাই শফিকুল বাদী হয়ে আরো একটি মামলা করেন। 

অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আটককৃতরা হলেন নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া সৈয়দ পাড়ার মৃত সৈয়দ আসাদুজ্জামানের ছেলে বর্তমানে যশোর শহরের বকচর চৌধুরী পাড়া ডাক্তার মাহবুব এর বাড়ির ভাড়াটিয়া সৈয়দ আকরাম হোসেনের বড় জামায় সৈয়দ করিমুজ্জামান ওরফে করিম ও শহরের বকচর মসজিদ পাড়ার আশরাফ হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন জুম্মান। গ্রেফতারকৃতদের বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপহৃত সবুজ ও ওই যুবতি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

যশোরের শার্শা উপজেলার পন্ডিতপুর গ্রামের বাসিন্দা বর্তমানে যশোর শহরের পুরাতন কসবা বিবি রোড এলাকার ভাড়াটিয়া (২০) বছরের এক যুবতী বুধবার দিবাগত গভীর রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। তিনি এজাহারে বলেন ,যশোরের শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া উত্তরপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে সবুজ (২০) তার পূর্ব পরিচিত। ৯ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় সবুজ যশোর এসে তার নাম্বারে ফোন দেয়। ফোন দিয়ে বলে তার যশোরে থাকার কোন ব্যবস্থা আপাতত নাই। তাই তাকে এক বাসায় রাখতে হবে। উক্ত যুবতী তার এক বান্ধবীর নানী বকচর চৌধুরী পাড়ার ডাক্তার মাহবুব এর বাড়ির ভাড়াটিয়া সাইফুল ইসলামের স্ত্রী সালমার বাড়িতে নিয়ে যায়। 

সেখােেন সন্ধ্যার দিকে সবুজকে রেখে উক্ত যুবতী তার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাইরে বের হলে সৈয়দ করিমুজ্জামান ওরফে করিমসহ সহযোগী জাকির হোসেন ওরফে জুম্মান,বকচরের শুকুর আলীর ছেলে জুলহাস, বকচর মসজিদ পাড়ার মৃত আকরামের ছেলে রুবেল, আবু বক্কার সিদ্দিকীর ছেলে তাজুল, জাবেদ আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ, তোফাজ্জেলের ছেলে রাজিব, মৃত রবির ছেলে বকুল ও রেজাউল ইসলামের ছেলে জাকির তাদেরকে ঘিরে ধরে। পরে পাশের একটি ঘরে জোর পূর্বক ঢুকিয়ে সবুজ ও তাকে আটকে রাখে।

 তাদেরকে খারাপ অপবাদ দিয়ে যুবতীর কাছে একলাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে সবুজকে মারপিট করে। এর মধ্যে যুবতীর শরীরে করিম ও জুম্মান হাত দেয়। 

পরবর্তীতে রাত ১০ টার পর সৈয়দ করিমুজ্জামান ওরফে করিম সবুজকে বাঁচাতে হলে তার সাথে সেক্স করতে হবে। এর পর জোর পূর্বক দু’জনকে উলঙ্গ করে মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও ধারন করে ইন্টার নেট, ফেইসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হুমকী দেয়। করিম যুবতীকে জোরপূর্বক দু’দফা ধর্ষন করে। 

আরও পড়ুন

আরো খবর দেখুন

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages