বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের কারনে মৃত্যু, অসুস্থতা এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে মানুষ যখন দিশেহারা তখনো কমছে না নারী ও শিশু নির্যাতন। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা বিভৎস রূপ নিয়ে ফুটে উঠেছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী গত জুন মাসে ৩০৮ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১০১ জন নারী ও শিশু। এ সময় ২৫ জন গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে সাতজনকে। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১৫ জনকে।
নারী ও শিশু নির্যাতন বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিপ্লবী নারী ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক আমেনা আখতার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে পরিবারে দুর্বল ব্যক্তি হিসেবে নারী বা শিশুটিকে নির্যাতের শিকার হতে হচ্ছে। তা ছাড়া, সমাজে আইনের প্রয়োগ যথাযথভাবে না হওয়া, মামলার নামে অপরাধের শিকার নারীদের উল্টো হয়রানীর শিকার হওয়ার কারণে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বেড়েছে। এই নারী নেত্রী আরো উল্লেখ করেন, বিশেষ করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নানা ধরনের ফাঁদে জড়িয়ে প্রেমের প্রতারনা বা পরকীয়ার পরিণতিতে এরকম অপরাধের পরিমাণ বাড়ছে।
তথ্যসূত্রঃপার্সটুডে

No comments:
Post a Comment