নাবালিকাকে ধর্ষণ করল তৃণমূল নেতার ছেলে, জোর করে দাহ, হাঁসখালিতে চাঞ্চল্য - Jessore News

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Sunday, April 10, 2022

নাবালিকাকে ধর্ষণ করল তৃণমূল নেতার ছেলে, জোর করে দাহ, হাঁসখালিতে চাঞ্চল্য


এমনই হাড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে গত সোমবার নদিয়ার হাঁসখালি এক নম্বর ব্লকের গাজনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামনগর এলাকায়।

জন্মদিনের পার্টিতে ডাকা হয়েছিল নাবালিকাকে। তারপর সেখানে তাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেস নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। এই উপর্যুপরি ধর্ষণে রক্তে ভাসতে থাকে ওই নাবালিকার অন্তর্বাস। অবশেষে মৃত্যু হয়েছে নির্যাতিতার। 

এই ঘটনা যাতে প্রকাশ্যে না আসে তাই নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ জোর করে দাহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ উঠেছে ওই তৃণমূল কংগ্রেস নেতার ছেলের বিরুদ্ধে এমনই হাড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে গত সোমবার নদিয়ার হাঁসখালি এক নম্বর ব্লকের গাজনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামনগর এলাকায়। ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, গত সোমবার জন্মদিনের পার্টি ছিল। 

সেখানেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। যৌন নির্যাতন এতটাই হয়েছিল যে ব্যাপক রক্তপাত ঘটে নির্যাতিতার গোপনাঙ্গ থেকে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের পর নাবালিকা মারা যায়। তার দেহ দাহ করে দেওয়া হয়। তাই এতদিন সব ধামাচাপা পড়ে ছিল। প্রকাশ্যে আসতেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে এলাকায়। অভিযুক্তের নাম ব্রজগোপাল গোয়ালা। তার বাবা সমর গোয়ালা হাঁসখালি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্য। নাবালিকা ওখানে কেন গিয়েছিল?‌ 

নাবালিকার পরিবার সূত্রে খবর, গত সোমবার ব্রজগোপাল গোয়ালার জন্মদিনের পার্টি ছিল। সেখানে আমন্ত্রণ ছিল নাবালিকা। বগুলা থেকে ওই নাবালিকা গিয়েছিল সেখানে। একজন মহিলা এবং কয়েকজনকে দিয়ে মেয়েকে ব্রজগোপালদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছিল। ১৪ বছরের ওই নাবালিকার বাড়ির সদস্যদের ব্রজগোপালের বাড়ির সদস্যরা জানান, মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। নাবালিকাকে তাই চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারপরই মৃত্যুর খবর আসে।

বিস্ফোরক অভিযোগটি কী উঠেছে?‌ ওই নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়েছে। আর তা হল, মেয়ের মৃত্যুর পর জোর করে দেহ দাহ করে দেওয়া হয়েছে। আর তাতে জড়িত ছিল ওই ব্রজগোপাল গোয়ালা ও তার দলবল। এই ঘটনায় এখন ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে হাঁসখালিতে। চাইল্ড লাইনের কর্মীদের আশ্বাসে হাঁসখালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।

বিস্তরিত

আরও পড়ুন

আরো খবর দেখুন

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages