যশোরে দু’ মামলায় তিনজনের সাজা - Jessore News

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Sunday, February 28, 2021

যশোরে দু’ মামলায় তিনজনের সাজা


যশোর শহরতলির খোলাডাঙ্গার রওশন আলীকে মারপিট করে জখমের মামলায় একটি আদালত দু’জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রোববার অতিরিক্তি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মারুফ আহমেদ এক রায়ে এ সাজা দিয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, খোলাডাঙ্গার মৃত সাত্তার গাজীর ছেলে খায়রুল ইসলাম ও মৃত অহেদ আলী গাজীর ছেলে আকতারুল। সাজাপ্রাপ্ত আকতারুল আপিলের শর্তে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। অপর আসামি খায়রুল পলাতক রয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে,রওশন আলীর সাথে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০১০ সালের ১১ জানুয়ারি সকালে রওশন আলী বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন। খোলাডাঙ্গা সার গোডাউনের পাশের রেললাইনের কাছে পৌঁছালে আসামিরা তাকে মারপিটে গুরুতর জখম করে। 

এ ঘটনায় রওশন আলীর স্ত্রী শামছুন্নাহার বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। আদালতের আদেশে ওই বছরের ২৮ মার্চ কোতয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়। এ মামলার তদন্ত শেষে ওই ছয়জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন তদন্ত কর্মকর্তা পিএসআই তোফায়েল আহম্মেদ। 

দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি খায়রুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে চার বছর সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদন্ড এবং আকতারুলকে ছয় মাসের কারাদন্ড ও তিন হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদন্ডের আদেশ  দেন। অপর আসামি কামরুল, নাজমুল, হাবিবুর ও আঞ্জুয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের খালাস দিয়েছেন। 

এছাড়া, আরেকটি যৌতুক মামলায় জহুরুল হক খান নামে এক ব্যক্তিকে দু’ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত জহুরুল পলাতক রয়েছে। রোববার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক এ সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্ত জহুরুল ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী গ্রামের মৃত মুসার আলী খানের ছেলে।

আসামি জহুরুল ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর যশোর শহরতলির শেখহাটি খাঁপাড়ার সুবোধ কুমার কুন্ডুর মেয়ে মিতাকে বিয়ে করেন। কিছুদিন যেতে না যেতে জহুরুল তার স্ত্রীর কাছে দু’ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। ২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে ভাড়া বাড়িতে রেখে চলে যান তিনি। ২০ জানুয়ারি তাকে মীমাংসার জন্য বাসায় ডাকা হলে যৌতুক ছাড়া তাকে নিয়ে সংসার করবেন না বলে চলে যান। এ ঘটনায় ওই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে যৌতুক আইনে মামলা করেন মিতা। 

আরও পড়ুন

আরো খবর দেখুন

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages