আজ রোববার দুপুরে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসে মেলার নানা দিক তুলে ধরেন।
তিনি জানান, এবারের মেলায় মোট ছয়টি স্টল থাকবে। এই প্যাভিলিয়নগুলো ভিজিট করে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার ই-সেবা, ডিজিটাল সেন্টার, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সম্বন্ধে জানতে পারবেন। এছাড়া স্টার্টআপদের উদ্যোগ প্রদর্শন করার সুযোগ থাকছে মেলায়। মুজিববর্ষ, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত আলাদা আলাদা প্যাভিলিয়নও থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক জানান, অনলাইনে এই ধরনের মেলা আয়োজন করে তা সফল করা চ্যালেঞ্জের। কতজন ভিজিট করছেন, তার ওপর নির্ভর করছে মেলা কতটা সফল হলো।
এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে যশোর যেহেতু এ ক্যাটাগরির জেলা, ফলে এখানে ভিজিটর বেশি হবে বলে আশা করা যায়। গণমাধ্যম ছাড়াও স্থানীয় কেবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন অফিসের ফেসবুক পেজ, জেলা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান সেটআপের মাধ্যমেও মানুষকে বিষয়টি জানানো হচ্ছে।
অন্য এক প্রশ্নে মোহাম্মদ শফিউল আরিফ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপায়নে যশোর সবচেয়ে অগ্রগামী। দেশের প্রথম সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক- ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’টিও যশোরে অবস্থিত। সেখানকার উদ্যোক্তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের যোগাযোগ রয়েছে। তাদের উদ্ভাবিত কিছু পণ্য এবারের মেলায় প্রদর্শিত হবে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সফটওয়্যার পার্কের উদ্যোক্তাদের যোগাযোগ আরো ঘনিষ্ঠ করার উদ্যোগ নেওয়া হবেও তিনি জানান।

No comments:
Post a Comment