গত ১৫ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মক’র্তা মোহা’ম্ম’দ আবুল খায়ের গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যার ফলে ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এমনকি ঘরে বসেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ঠ একজন ঊর্ধ্বতন কর্মক’র্তা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে অনলাইনে শুক্রবারসহ সাতদিন ক্লাস নেয়ার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সময় কমেছে ৮০ শতাংশ।
মাত্র ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টেলিভিশনে ‘ঘরে বসে শিখি’ ও ‘আমা’র ঘরে আমা’র স্কুল’ এই দুটি অনুষ্ঠান দেখছে এবং ১ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করেছে। যারা টিভি ক্লাসে অংশগ্রহণ করছে তারা আবার টেলিভিশনে ক্লাস অনুসরণ করাকে বেশ কঠিন বলে মনে করছে।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এমন প্রতিবেদন প্রস’ঙ্গে তিনি বলেন, আগে যেখানে গ্রামের শিক্ষার্থীরা দিনে স্কুল, কোচিং ও বাড়িতে নিজেদের পড়ালেখা মিলে ১০ ঘণ্টা ব্যয় করত, এখন তা নেমে এসেছে মাত্র ২ ঘণ্টায়, অর্থাৎ ৮০ শতাংশ সময় কমেছে পড়াশোনার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের আগে যেখানে ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ২ ঘণ্টার বেশি আয়মূলক কাজে জড়িত ছিল এখন তার হার দাঁড়িয়েছে ১৬ শতাংশে। এই তথ্যগু’লো গ্রামের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পাওয়া গিয়েছে।
শহরের বস্তি এলাকাও চিত্রটা মোটামুটি একইরকম সেক্ষেত্রে হিসাবটা অনেকাংশেই সঠিক। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে টানা সাত দিনই ক্লাস নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ৬০ শতাংশ পাঠ্যসূচি দিয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া ‘হতে পারে। সে বি’ষয়ে মন্ত্রণালয় পুনর্বিবেচনা করবেন। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আমা’র ঘরে আমা’র স্কুল’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস চলছে এবং ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্রঃ জুমবাংলানিউজ

No comments:
Post a Comment