যশোরে করোনা নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর সার্কিট হাউজে ‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির’ সভা থেকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সিন্ধান্ত অনুযায়ী, যশোর বড় বাজারসহ বিভিন্ন শপিং মল ও দোকানে ক্রেতাদের ভিড় কমাতে শহরে চলাচল করা ইজিবাইকের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে। যাত্রীও তোলা যাবে অর্ধেক। সপ্তাহে ছয়দিন শপিং মল ও মার্কেট খোলা রাখা হলেও দোকানপাট ক্যাটাগরিভিত্তিতে খোলা হবে। একই ক্যাটাগরির দোকান সপ্তাহে দুই বা তিনদিনের বেশি খোলা রাখা যাবে না।
এছাড়া অভয়নগরের নওয়াপাড়া শহরসহ করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলা এলাকা ধরে ধরে লকডাউন করা হবে। বাস, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা হবে। সব পথচারীর মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে মাঠে নামবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে যশোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল নিয়ামুল, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) উপপরিচালক কবির আহম্মেদ, যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ বলেন, যশোর বড় বাজারে কোনোভাবেই মানুষের ভিড় কমানো যাচ্ছে না। এজন্য রোটেশনভিত্তিতে দোকানপাট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া রাস্তায় ইজিবাইকের সংখ্যা ও যাত্রী কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্রুতই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি আরো জানান, যশোরের নওয়াপাড়া পৌরসভাসহ অভয়নগর উপজেলার কয়েকটি এলাকায় করোনা রোগীর সংখ্যা দ্রুতই বাড়ছে। ওই সব এলাকা কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করা হবে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করাতে শহরের মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেটরাও দায়িত্ব পালন করবেন। মানুষকে মাস্ক ব্যবহারে সচেতন করতে তারা কাজ করবেন। দরকার হলে আইনের প্রয়োগও করা হবে।
তথ্যসূত্রঃ One News Bd

No comments:
Post a Comment